Demo

বাংলাদেশ নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ: ‘অস্বাভাবিক ভোটের গতি’ ঘিরে প্রশ্ন তুললো মানবাধিকার সংগঠন SARI

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন South Asia Rights Initiative (SARI)।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) “Democratic Integrity, Civic Participation and Institutional Transparency” শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক বৈধতা, স্বচ্ছতা ও জন আস্থার বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনটি “প্রহসনমূলক ও সাংবিধানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ” ছিল এবং প্রগতিশীল ও সেকুলার রাজনৈতিক দলগুলোকে কার্যকর অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। এতে রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি নিবন্ধিত ভোটার অংশগ্রহণের যোগ্য ছিলেন এবং ভোটগ্রহণ চলে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে নির্বাচন কমিশনের ধাপে ধাপে প্রকাশিত ভোটার উপস্থিতির তথ্য বিশ্লেষণ করে SARI উল্লেখ করেছে, সেখানে “সংখ্যাগত অসঙ্গতি” এবং “অস্বাভাবিক ভোট প্রদানের ধরণ” লক্ষ্য করা গেছে।

সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ১৪.৯৬ শতাংশ—যা প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ ভোটের সমতুল্য। এতে প্রতি মিনিটে গড়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোট প্রদানের হিসাব দাঁড়ায়। কিন্তু পরবর্তী মাত্র এক ঘণ্টায় উপস্থিতি হঠাৎ বেড়ে ৩২.৮৮ শতাংশ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে প্রায় ২ কোটি ২৮ লাখ ভোট পড়েছে—যা প্রতি মিনিটে গড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজারের বেশি ভোট প্রদানের ইঙ্গিত দেয়।
SARI বলেছে, এই ধরনের দ্রুতগতির ভোট বৃদ্ধি বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯টি ভোটকেন্দ্র যদি পূর্ণ সক্ষমতায়ও পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে প্রতি কেন্দ্রে প্রায় প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে একটি করে ভোট গ্রহণ করতে হতো—যা পর্যবেক্ষকদের মতে বাস্তবসম্মত নয়। কারণ একজন ভোটারের ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাধারণত এক থেকে তিন মিনিট সময় লাগে।

বিবৃতিতে আরও বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এমধ্যে রয়েছে—
বহু ভোটকেন্দ্র ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও উচ্চ ভোটার উপস্থিতির দাবি, পূর্বেই সিল মারা ব্যালট পেপারের অভিযোগ,
ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন,
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে ঘিরে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন South Asia Rights Initiative (SARI)।
১ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্যারিসে “Democratic Integrity, Civic Participation and Institutional Transparency” শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক বৈধতা, স্বচ্ছতা ও জন আস্থার বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনটি “প্রহসনমূলক ও সাংবিধানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ” ছিল এবং প্রগতিশীল ও সেকুলার রাজনৈতিক দলগুলোকে কার্যকর অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। এতে রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি নিবন্ধিত ভোটার অংশগ্রহণের যোগ্য ছিলেন এবং ভোটগ্রহণ চলে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে নির্বাচন কমিশনের ধাপে ধাপে প্রকাশিত ভোটার উপস্থিতির তথ্য বিশ্লেষণ করে SARI উল্লেখ করেছে, সেখানে “সংখ্যাগত অসঙ্গতি” এবং “অস্বাভাবিক ভোট প্রদানের ধরণ” লক্ষ্য করা গেছে।
সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ছিল ১৪.৯৬ শতাংশ—যা প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ ভোটের সমতুল্য। এতে প্রতি মিনিটে গড়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোট প্রদানের হিসাব দাঁড়ায়। কিন্তু পরবর্তী মাত্র এক ঘণ্টায় উপস্থিতি হঠাৎ বেড়ে ৩২.৮৮ শতাংশ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে প্রায় ২ কোটি ২৮ লাখ ভোট পড়েছে—যা প্রতি মিনিটে গড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজারের বেশি ভোট প্রদানের ইঙ্গিত দেয়।
SARI বলেছে, এই ধরনের দ্রুতগতির ভোট বৃদ্ধি বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯টি ভোটকেন্দ্র যদি পূর্ণ সক্ষমতায়ও পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে প্রতি কেন্দ্রে প্রায় প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে একটি করে ভোট গ্রহণ করতে হতো—যা পর্যবেক্ষকদের মতে বাস্তবসম্মত নয়। কারণ একজন ভোটারের ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাধারণত এক থেকে তিন মিনিট সময় লাগে।
বিবৃতিতে আরও বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
বহু ভোটকেন্দ্র ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও উচ্চ ভোটার উপস্থিতির দাবি, পূর্বেই সিল মারা ব্যালট পেপারের অভিযোগ,
ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভোট গণনা ও ফল প্রত্যয়ন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট বাক্স ভরাটের অভিযোগ, এমনকি ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, কারাবন্দী ও প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত কম ছিল—যা ঘোষিত প্রায় ৬০ শতাংশ জাতীয় ভোটার উপস্থিতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও প্রশাসনিক কাঠামো ব্যবহারের অভিযোগ, ব্যালটের নকশায় একটি নির্দিষ্ট বিকল্পের পক্ষে মনস্তাত্ত্বিক পক্ষপাত এবং ফলাফল প্রকাশে স্বচ্ছতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষভাবে গণভোটের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ও অসঙ্গতির বিষয়টি জনমনে সন্দেহ বাড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—নির্বাচনী তথ্য স্বচ্ছভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে কি না, নাকি পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে তা সমন্বয় করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক মেরুকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক অবিশ্বাস এবং দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ কোনো নির্বাচন টেকসই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বা জাতীয় পুনর্মিলনের ভিত্তি হতে পারে না।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগৃহীত অতিরিক্ত নথি ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ প্রয়োজনে প্রদান করতে প্রস্তুত রয়েছে।
উক্ত আয়োজনে  বক্তব্য প্রদান করেন  বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা প্রদান করেন  সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ব্যারিস্টার তাপস বাউল, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাইফুজ্জামান শেখর, এস এম রেজাউল করিম, এ,এফ, এম গোলাম জিলানী, ব্যারিস্টার মাসুদ আখতার, আমিনুল হক পলাশ, খলিলুর রহমান, সুশান্ত দাস গুপ্ত, জাকারিয়া মাহমুদ, এম এ কাশেম, মুজিবুর রহমান, সাত্তার আলী সুমন, মনজুর হাসান চৌধুরী সেলিম, মেরী হাওলাদার এবং সংগঠক হিসেবে দেলওয়ার হোসেন কয়েস, মোহাম্মদ হাসান আহমেদ, সাদিকুর রহমান, সাঈদুর রহমান সাঈদ ও চৌধুরী মারুফ আমিত উপস্থিত ছিলেন।

প্যারিসভিত্তিক এই সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পক্ষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ প্রত্যাশা করছে ভোট গণনা ও ফল প্রত্যয়ন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম,
ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট বাক্স ভরাটের অভিযোগ,
এমনকি ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, কারাবন্দী ও প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত কম ছিল—যা ঘোষিত প্রায় ৬০ শতাংশ জাতীয় ভোটার উপস্থিতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও প্রশাসনিক কাঠামো ব্যবহারের অভিযোগ, ব্যালটের নকশায় একটি নির্দিষ্ট বিকল্পের পক্ষে মনস্তাত্ত্বিক পক্ষপাত এবং ফলাফল প্রকাশে স্বচ্ছতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষভাবে গণভোটের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ও অসঙ্গতির বিষয়টি জনমনে সন্দেহ বাড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—নির্বাচনী তথ্য স্বচ্ছভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে কি না, নাকি পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে তা সমন্বয় করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক মেরুকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক অবিশ্বাস এবং দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ কোনো নির্বাচন টেকসই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বা জাতীয় পুনর্মিলনের ভিত্তি হতে পারে না।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগৃহীত অতিরিক্ত নথি ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ প্রয়োজনে প্রদান করতে প্রস্তুত রয়েছে।

উক্ত আয়োজনে  বক্তব্য প্রদান করেন  বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা প্রদান করেন  সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ব্যারিস্টার তাপস বাউল, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাইফুজ্জামান শেখর, এস এম রেজাউল করিম, এ,এফ, এম গোলাম জিলানী, ব্যারিস্টার মাসুদ আখতার, আমিনুল হক পলাশ, খলিলুর রহমান, সুশান্ত দাস গুপ্ত, জাকারিয়া মাহমুদ, এম এ কাশেম, মুজিবুর রহমান, সাত্তার আলী সুমন, মনজুর হাসান চৌধুরী সেলিম, মেরী হাওলাদার এবং সংগঠক হিসেবে দেলওয়ার হোসেন কয়েস, মোহাম্মদ হাসান আহমেদ, সাদিকুর রহমান, সাঈদুর রহমান সাঈদ ও চৌধুরী মারুফ আমিত উপস্থিত ছিলেন।

প্যারিসভিত্তিক এই সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পক্ষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ প্রত্যাশা করছে।

Leave A Reply

সাইটম্যাপ

যোগাযোগের ঠিকানা