রেজাউল করিম: সুন্দরবনের মতো
সময়ের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে,
অধিষ্ঠিত নেতৃত্বের নীরব দীপশিখা—
চেনেন মানুষকে, চেনেন ইতিহাসের হাঁসফাঁস,
যারা বুঝতে চায় না তাকে,
ব্যর্থতা আসলে তাদেরই আয়নায় লেখা।
যেমন দক্ষিণের বুকে দাঁড়িয়ে আছে সুন্দরবন,
ঝড়ের হাত থেকে রক্ষা করে দেশকে,
কোলাহল, অস্থিরতা, অগ্নিঝড়—
সব থামিয়ে দেয় সবুজ দেয়াল।
তেমনই আঞ্চলিক ভূগোল, সময়ের রাজনীতি,
ঝড়ে-ঝাপটায় ক্ষতবিক্ষত বাস্তবতার ভেতর
একটি স্থিরতা—
নামে যার আলো আছে, অভিজ্ঞতার ভার আছে,
অতীত-বর্তমানকে পড়তে জানার প্রজ্ঞা আছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অরণ্যে
সুন্দরবনের মতোই তিনি—
ঝড় থামান, ঢেউ থামান,
সবচেয়ে জটিল মুহূর্তে হয়ে ওঠেন
একটি রক্ষাকারী নিস্তব্ধ ছায়া।
মানুষের পথচলার প্রহরী,
সময় ও ইতিহাসের দীর্ঘ বাঁকে দাঁড়িয়ে—
একটি শক্ত, প্রাচীন, অটল গাছের মতো
দেশকে আগলে রাখেন নীরব উষ্ণতায়।
তিনি আর কেউ নন—
সময়ের কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকা এক আলোর দিশা,
স্বপ্নে বোনা উন্নয়নের মানচিত্রে
যার হাতে আঁকা পথ
আজো দৃপ্ত, দৃঢ়, সুসংগঠিত।
তিনি নেতা মহান—
দুঃসময়ের অন্ধকারে
একটি প্রদীপের মতো জ্বলে ওঠা
আস্থা ও আশার প্রতীক,
যিনি জানেন মানুষের মন,
দেশের চাহিদা, ভবিষ্যতের ডাক।
উন্নয়ন, অগ্রগতি, স্বপ্ন ও সংগ্রামে
যার পদচিহ্ন গাঁথা সময়ের বুকে,
দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার
প্রতিটি সেতু, রাস্তা, আলোতে
লুকিয়ে আছে তারই অধ্যবসায়।
তিনিই শেখ হাসিনা—
বাংলাদেশের দৃঢ় পথচলার
এক অনড় উচ্চারণ,
এক নারী, এক ইতিহাস,
এক দীর্ঘ যাত্রার সাহসী নাবিক। জয় বাংলা
রেজাউল করিম ইতালি থেকে


